নিজস্ব সংবাদদাতা-
কুড়িগ্রামে ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণ ও জেলায় ভোজ্য তেল জাতীয় ফসলের সর্ব্বোচ্চ উৎপাদন করায় ৫ কৃষককে সংবর্ধনা দিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দুপুরে কুড়িগ্রামের খামারবাড়ি এসসিডিপি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওয়ায় ৫ কৃষককে পুরস্কারের ক্রেস্ট,সার্টিফিকেট ও নগদ অর্থ প্রদান করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুলাহ আল মামুন।
পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন,নাগেশ্বরীর কৃষক মো. আজিজার রহমান(১ম),ভুরুঙ্গামারীর মোছা.শেফালী বেগম(২য়) এবং যৌথভাবে কুড়িগ্রাম সদরের মো.নুর ইসলাম(৩য়),শ্রী ধনী রায় (৩য়) ও উলিপুরের কৃষক মো.কপিল উদ্দিন।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জেলার ৪টি উপজেলার ১২৫ জন কৃষকের মধ্য থেকে তেল জাতীয় ফসল সরিষা ও তিল ব্যাপকভাবে উৎপাদন করে এই ৫ কৃষক সেরা হিসেবে নির্বাচিত হন।
কৃষি বিভাগ জানায়,তেলে স্বয়ং সম্পূর্ণ করার জন্য সরিষা , চিনাবাদাম, তিল ও সূর্যমুখী মোট আাবাদের চাহিদা ধরা হয়েছিলো ৩৬,৬৫৮ হেক্টর,যার মধ্যে চলতি অর্থবছরে উৎপাদন হয় ৩০,২৮০ হেক্টর। এর মধ্যে জেলায় মোট তেলের চাহিদা ২১,২৪৩ মেট্রিক টন এবং তেলজাতীয় ফসলের দ্বারা মোট তেল উৎপাদন হয়েছে ১৮,৩৮৬ মেট্রিক টন। তেলের এ চাহিদা পুরণে জেলার ১২৫ কৃষকদের মধ্যে যার অধিকাংশ এসেছে পুরস্কার পাওয়া ৫ কৃষক থেকে।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,খামারবাড়ির উপপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুলাহ আল মামুন বলেন,’জেলার চরাঞ্চল ও সমতল ভুমিতে লক্ষ্যমাত্রার ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের পরিশ্রমের ফল। আমরা আগামী বছর কুড়িগ্রামকে তেল উৎপাদনে স্বংসম্পূর্ণ বলতে চাই,যাতে আমরা তেল জাতীয় ফসল বাজারজাতকরণে শীর্ষে থাকি।’
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, খামারবাড়ি প্রশিক্ষণ অফিসার ড. মোঃ মামুনুর রহমান,অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মোঃ আসাদুজ্জামান,সাংবাদিক শ্যামল ভৌমিক, সাইয়েদ আহমেদ, বাদশাহ সৈকত, ওয়াহিদুজ্জামান তুহিন, নাজমুল হোসেন প্রমুখ।


0 মন্তব্যসমূহ
মার্জিত মন্তব্য করার জন্য অনুরোধ করা হল।