খবর

6/random/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

কুড়িগ্রামে আ.লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, প্রতিবাদে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের কার্যালয় উচ্ছেদ



নিজস্ব সংবাদদাতা- 


কুড়িগ্রামে ১৮ মাস পর কার্যক্রম নিষিদ্ধে থাকা জেলা আ.লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জেলা কার্যালয় লেখা ব্যানার টাঙানো হয়েছে।

বুধবার(১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা শহরের শাপলা চত্বর সংলগ্ন আ.লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ফেরিওয়ালা আছদ্দি মিয়া বলেন, বুধবার  সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি কার্যালয়ের সামন দিক দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় দেখেন,২৫-৩৫ বছর বয়সী কয়েকজন যুবক একসাথে জড়ো হয়ে পরিত্যক্ত  আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং একটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয় নামের ব্যানার টাঙিয়ে জয় বাংলা ও শেখ হাসিনার নামে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাঁরা দ্রুত চলে যান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পতাকা উত্তোলনের সময়

রাব্বী ইসলাম বাঁধন, এম এইচ রাব্বু, আদনান শাহরিয়ার লুব্ধক, আশিক মিয়া টেম্পিল, হান্নান, এন্তা সহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।  তারা সকলে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী।

দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পতাকা উত্তোলন ও ব্যানার টাঙানোর প্রতিবাদে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা সেখানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ করেন এবং পরিত্যক্ত কার্যালয়টি পুনরায় ভেঙে উচ্ছেদ করে দিয়ে সেখানে একটি জনসাধারণের জন্য ফ্রি সৌচাগার নির্মাণের ঘোষনা দেন।



বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুড়িগ্রামের সিনিয়র সদস্য সচিব সাজ্জাদ হোসাইন বলেন,'নিষিদ্ধ আ.লীগকে ফিরতে দেয়া হবে না। তাদের এই  ভাঙা কার্যালয় আমরা  উচ্ছেদ করেছি। এখানে জনসাধারণের জন্য দ্রুত ফ্রি সৌচাগার নির্মাণ করা হবে।'

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রকাশ্যে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম দেখা যায়নি। ১৮ মাস পর আজ হঠাৎ জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ব্যানার টাঙানো ঘিরে এলাকায় নতুন করে আলোচনা চলছে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মাসুদ রানা বলেন,‘আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের বিষয়টি সকালে জানার পর আমাদের জেলা পুলিশের শহরে টহল জোরদার করা হয়েছে। দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ