খবর

6/random/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

উত্তরাঞ্চলে বজ্র-আশ্রয় কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে-ত্রাণমন্ত্রী

 



দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুড়িগ্রামে খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি জানিয়েছেন, চলতি বছর ১৫শ কিলোমিটার এবং আগামী ৫ বছরে মোট ৭ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি আগামী ৫ বছরে দেশে ২০ কোটি গাছ রোপণ করা হবে বলেও জানান।

রোববার (১০ মে) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা সদরের উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নে দাশের হাটের ছড়া হতে এসিল্যান্ড সংযোগ খাল পর্যন্ত ২ কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন।

ত্রাণমন্ত্রী এসময় বলেন, দেশের হাওড় ও উত্তরাঞ্চলে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র আরো বৃদ্ধিকরণের পাশাপাশি বজ্রপাত নিরোধক যন্ত্র বসিয়ে বজ্রআশ্রয় কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। বিশেষ করে কুড়িগ্রামসহ এ জনপদের চরাঞ্চলগুলোতে প্রতিদিন বজ্রপাতে নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। আমরা এসব অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে বজ্র-আশ্রয় কেন্দ্র গড়ে তুলবো।

মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু আরো বলেন,খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। খালের পানি ব্যবহার করে কৃষিকাজ সম্প্রসারণ করা যাবে, একই সঙ্গে মাছ চাষের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া খালের পাড়ে বনায়ন করা হলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং তা হবে দৃষ্টিনন্দন। এসব কার্যক্রমের সুফল সরাসরি স্থানীয় হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী ভোগ করবে। খালের মাছ ও বনায়নের লভ্যাংশ তাদের জীবিকা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।







তিনি আরও বলেন,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যুগান্তকারী কর্মসূচি ছিল খাল খনন। পানি সেচের মাধ্যমে পানি ধরে রাখা, খালের পাশে গাছ ও মাছ চাষের মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। ফলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছিল। দীর্ঘদিন পর বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় এসে আবারও খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক সংক্ষিপ্ত সুধী সমাবেশে তিনি বক্তব্য রাখেন। এসময় জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু ও অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব প্রমুখ।

এর আগে তিনি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন। পরে খাল খনন কর্মসূচি শেষে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ